হিউম্যান রাইটস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
হিউম্যান রাইটস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ভাতের অভাব নাই :সজল আহমেদ এর কবিতা

ভাতের অভাব নাই

~সজল আহমেদ~

ভাত উড়ছে আকাশে বাতাসে দরীদ্রতার কোন ছাপ নেই এই শহরের গোপন পতিতা পল্লিতে খদ্দেরের ও অভাব নেই।
দেহের কোটরে

শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

বই মেলায় যাবানা প্রিয় বই মেলায় হুজুর:সজল আহমেদ এর কবিতা

বই মেলায় যাবানা প্রিয় বই মেলায় হুজুর

~সজল আহমেদ~

মাদ্রাসা ছাত্ররা কেন প্রগতিশীল নয়
প্রতিটা দিক থেকে পিছে পরে রয়
সেলিনা অজয়দের মুখরোচক বিবৃতি
জঙ্গী প্রহসনে প্রিয় প্রথম আলোর তুবড়ি
অকবি কবিতা লিখে প্রতিবাদ করে
জঙ্গী জন্ম হয় শফী হুজুরের ঘরে।
 মাদ্রাসায় বিজ্ঞান নেই;বাংলা সাহিত্যে রবী ঠাকুর নেই
সুকুমার নেই, আজাদ তসলিমা নেই
তাহলে পড়ছেটা কি?
দুখান আরবী কেতাব, ৩খান ফার্সী কেতাব যত জেহাদী বই আর লাগে কি?
ওরা আকাশের ফাঁদে ফাঁদেও যৌনতা ছড়াতে পারেনা
ওদের সীমিত জ্ঞানে
নতুন গজানো ভাঁড়দের মত অসৎ বুদ্ধিও
পারেনা রচনা করতে মিথ্যে যত অতীত বৃত্তান্ত
নেই নেই ওরকম কুফা এলেম ওদের নেই।
স্বাধীন এদেশে নানাবিধ সংবিধান রচনা করা যায় বটে
৩৬, ৩৭ এবং ৩৯ নং সংবিধান প্রয়োগ তো চুলোয় যাবে -
বই মেলায় যাবানা প্রিয় বই মেলায় হুজুর
দাঁড়ি আর পাঞ্জাবী তে যাবানা প্রিয় বইমেলায়;
কাউন্টার টেররিজমের বাবাদের কাছে বলে;৪৮ ঘন্টা খাইয়ে দেবো লাল দালানের ভাত
বাংলাদেশ পুলিশ রেস'ইজম দোচেনা।
১২-০২-২০১৭

সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৭

না খাইয়া কি শুধু নাম মাত্র কুত্তা থাকে?: সজল আহমেদ এর কবিতা


না খাইয়া কি শুধু নাম মাত্র কুত্তা থাকে?

-সজল আহমেদ

কাঁধে সাদা বস্তা নিয়ে সেই সকালে বার হইছি,
কত পারা কত গলি যে ঘুরছি আল্লাহ মালুম!
এত ঘুইরাও বস্তা ভরেনাই দা!
কত মাইনষের কত কথা বাপু,
ওসব ডেইলি রুটিন।
এই আমার দোকানের সামনে থেইকা যাহ্,
বান্দির পোলা গাড়ির সামনে কি কলকব্জা খুইলা নিতে খাড়াইছোস?
ওয়ার্কশপের সামনে দিয়া যা, লোহা যদি একটা যায় থাপ্রায়া দন্ত ফেলায়া দিমু,
আরো কত কি গালিগালাজ দৈনিক যে হজম করি তার ইয়াত্তা নাই!
আমিও গালি দেই তয় মনে মনে,
আর ওনার কাছে কই, যেন হালাগো সব ঠাডা পইরা যায়।
গতরাতে খাওয়া হয়নি,
দুপুরে নাওয়া হয়নি,
ওস্তাদজ্বি বলছিলো-নেড়ি কুত্তা নাকি দিনের পর দিন না খায়া না নাইয়া বাঁইচা থাকে!
আমি নেড়ি কুত্তা না,
আমার লকব ও নেড়ি কুত্তা না,
তবে ২বেলা খাওয়া হয়নি।
কাগজের আইজ কাইল বড্ড কহর,
পোলাপান কাগজ ফালায়া দেয়না
কারুকলায় ব্যয় করে।
শেষ অবলম্বনে আছে লোহা,
মাদারী সব লোহার টিনের এত দাম কমাইলো,
১ দিনের টেহা জমাইলেও হালারা ২টা বেলার খাবার দিতে চায়না,
এল্লাইগ্যা পৃথিবীর খাওন বলতে আমার কাছে ড্যান্ডির কৌটা।
কৌটা খুইলা ঠোঙ্গায় ভইরা বুক ভইরা নিঃশ্বাস লই,
পিনিক!চাইরদিকে পিনিক!
সামনে পুলিশ কাকুরা খাড়ায়া তামশা দ্যাখে কিচ্ছু কয়না।
দেখবইবা না কেন?
কিচ্ছু কইবোই বা কেন?
মাঝেমইধ্যেই যে সিগারেট আর চায়ের পয়সা দিই।
তয় মাঝেমইধ্যে আবার পাছায় লাথ্থিও খাই!
ওসব সইত্য ইতিহাস,সব বাস্তব জিনিসপাত্তি।
মিথ্যা খালি,আমার নাই বাড়ি নাই ঘর
আমার নাই ভাই,নাই মা নাই বাপ,
মিথ্যা খালি আমার স্বজন নাই কেউ,
স্বজন বইলা খালি সাদা বস্তা আর রাস্তার কলকব্জা,
মিথ্যা খালি আমি,মিথ্যা খালি আমার জীবন।
আমি পুরাই অকেজো পুরাই মিথ্যা,
আমি ২-৩ বেলা না খাইয়া থাকা মানবীয় খোলসে ভর্তি কুত্তা।

বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০১৭

আই ওয়ান্না ফাক দ্যাট হিউম্যানিটি -সজল আহমেদ

আই ওয়ান্না ফাক দ্যাট হিউম্যানিটি

-সজল আহমেদ

আমি মঞ্চে খাড়ায়া কইছি পৃথিবীময় আজ মানবতা বিলুপ্ত,
দেশে মানুষ না খায়া মরতাছে,
দেশে বস্তির সংখ্যা দিনকে দিন বাইড়া যাচ্ছে,
দেশ আজ গরীবখানা, দেশে মানুষ না খায়া মরে,
শিশু অপুষ্টি,বছর বছর অটিজম জন্মাইতেছে!
আমি হিউম্যানিটির কথা কই,আজ বিলুপ্ত হিউম্যানিটি,
ব্যাংক ব্যালেন্স আমার দশকোটি,
দশ বছর টানা দিতাছি কর ফাঁকি!

অন্যদিকে,
দেশের জনতার রক্ত চুইষা চুইষা খায় টেলিকম কোম্পানি,
ব্রিটিশগো মতন ওরাও গাড়ছে নীল কুঠী,
এয়ারটেল, গ্রামীণ, বাংলালিংক, রবি শত শতকোটি টাকা ভ্যাট দিবেনা!
বিটিআরসি ও তার খোঁজ নিবেনা!
রবী বছরে একবার জনগণের টাকায় পথশিশুগো গেঞ্জি দিবে,
জনগণের পুটকি মাইরা নিজেগো নাম ফুটাইবো।
গেঞ্জিভরা রবীর সিল থাকবো আর টিভিতে অ্যাড হবে,
রবী আছে গরীব পুলাপানের পাশে!
ওগো চালাকি নিয়া কোন কথা কেউ কইবেনা!
ঐদিকে গরীব ব্যাটারা যদি সামান্য পাদ ও দেয়,
তাইলেও তাগো ফাঁক পাইলে পাছা কাইটা নেয়!

আমি আল্লাহ্'র কাছে বইলা দেবো সব

আমি আল্লাহ্'র কাছে বইলা দেবো সব

-সজল আহমেদ

 আমি আল্লাহ্'র কাছে বলে দেবো সব!
পথঘাট আর মানুষগুলো কেমন করেছে আমার সাথে!
কেমন করে আমায় শোওরের বাচ্চা বলে বিচিতে লাথি মেরেছে,
আমি ব্যথা না পাওয়ার ভান ধরে ছিলাম!
বেশ কিছুদিন যাওয়ার পর বিচিটা ধুমছে ফুলে ফেপে উঠলো!
আমি বলে দেবো সব,
বড় ঘরের বড় মানুষগুলো কেমন আচরণ করেছে আমার সাথে,
আমি আল্লাহ্'কে বলে দেবো সব,
টাকার অভাবে চিকিৎসা হয়নি আমার,
অথচ দায়ী ওরা।
অথচ বড় বড় ঘরগুলোতে টাকার ছিলোনা অভাব!
আমি আল্লাহ্'কে বলে দেবো,
শুয়েছিলাম ৩দিন ধরে হসপিটাল সিটে খবর নেয়নি কেউ!
না ডাক্তার, না নার্চ না আয়া না কেরানী না কেউ না!
আল্লাহ্'কে বলে দেবো,
ওরা সুখেই ছিলো,আর আমরা যারা গরীব,
তারা মরেছি অন্ধকারে!
আল্লাহ্'কে বলে দেবো,
ওরা বড়সড় রোগ হলে চিকিৎসা নিতে আমেরিকা পারি জমায়,
আর আমি?
ঐ যে ছউচ্ছা লৌহ(পঁচারক্ত)মাখা মেঝেতে গড়ায়ে এপার হইতে ওপার যাই!
আমি কেঁদে উঠে কান ফাটানো চিৎকার দিয়ে বলব,
ওরা ঐ যে অট্টালিকাবাসী,আমারে করেছে হেলা,
গালি দিয়েছে -হেলা করেছে ডেকেছে বান্দির পোলা!
আমি হাতুরি শাবল চালায়েছি মাঠে,
ওরা ডান্ডা চালায়েছে আমার পিঠে!
না খায়া কাঁদছি,আর ওরা পরিসংখ্যান করছে,
দেশে না খায়া এখন আর কেউ মরেনা!
আমি আরো বলব,
ধনীর দুলাল মাথা ফাঁটায়েছে আমার,আর আমিই করেছি কারাবাস!
ওরা লাথি দিয়েছে তলপেটে, আমার খালিপেট!
ওরা আমার গায়ের গন্ধ শুকেছে বলেছোে শালা ক্ষ্যাত!
ক্ষাণকির পোলা নাওনা ক বছর গায়ে বিশাল গন্ধ দেওনা কি পারফিউম?
আমি তো পারফিউমই চিনিনা কোথায় দিবো?
বিকট গন্ধওয়ালা একটা পানির বোতল?
সে যাইহোক, সহ্য করেছি মুখ বুজে!
একদিন আমিও দেখবো!
ওদিন বিচার হবে, বলব ওনাকে সব,ওরা খাবে মার,আমি খবিসের মত দাঁড়ায়ে বলব সাবাস!

না খাইয়া কি শুধু নাম মাত্র কুত্তা থাকে?

না খাইয়া কি শুধু নাম মাত্র কুত্তা থাকে?

-সজল আহমেদ

কাঁধে সাদা বস্তা নিয়ে সেই সকালে বার হইছি,
কত পারা কত গলি যে ঘুরছি আল্লাহ মালুম!
এত ঘুইরাও বস্তা ভরেনাই দা!
কত মাইনষের কত কথা বাপু,
ওসব ডেইলি রুটিন।
এই আমার দোকানের সামনে থেইকা যাহ্,
বান্দির পোলা গাড়ির সামনে কি কলকব্জা খুইলা নিতে খাড়াইছোস?
ওয়ার্কশপের সামনে দিয়া যা, লোহা যদি একটা যায় থাপ্রায়া দন্ত ফেলায়া দিমু,
আরো কত কি গালিগালাজ দৈনিক যে হজম করি তার ইয়াত্তা নাই!
আমিও গালি দেই তয় মনে মনে,
আর ওনার কাছে কই, যেন হালাগো সব ঠাডা পইরা যায়।
গতরাতে খাওয়া হয়নি,
দুপুরে নাওয়া হয়নি,
ওস্তাদজ্বি বলছিলো-নেড়ি কুত্তা নাকি দিনের পর দিন না খায়া না নাইয়া বাঁইচা থাকে!
আমি নেড়ি কুত্তা না,
আমার লকব ও নেড়ি কুত্তা না,
তবে ২বেলা খাওয়া হয়নি।
কাগজের আইজ কাইল বড্ড কহর,
পোলাপানন কাগজ ফালায়া দেয়না
কারুকলায় ব্যয় করে।
শেষ অবলম্বনে আছে লোহা,
মাদারী সব লোহার টিনের এত দাম কমাইলো,
১ দিনের টেহা জমাইলেও হালারা ২টা বেলার খাবার দিতে চায়না,
এল্লাইগ্যা পৃথিবীর খাওন বলতে আমার কাছে ড্যান্ডির কৌটা।
কৌটা খুইলা ঠোঙ্গায় ভইরা বুক ভইরা নিঃশ্বাস লই,
পিনিক!চাইরদিকে পিনিক!
সামনে পুলিশ কাকুরা খাড়ায়া তামশা দ্যাখে কিচ্ছু কয়না।
দেখবইবা না কেন?
কিচ্ছু কইবোই বা কেন?
মাঝেমইধ্যেই যে সিগারেট আর চায়ের পয়সা দিই।
তয় মাঝেমইধ্যে আবার পাছায় লাথ্থিও খাই!
ওসব সইত্য ইতিহাস,সব বাস্তব জিনিসপাত্তি।
মিথ্যা খালি,আমার নাই বাড়ি নাই ঘর
আমার নাই ভাই,নাই মা নাই বাপ,
মিথ্যা খালি আমার স্বজন নাই কেউ,
স্বজন বইলা খালি সাদা বস্তা আর রাস্তার কলকব্জা,
মিথ্যা খালি আমি,মিথ্যা খালি আমার জীবন।
আমি পুরাই অকেজো পুরাই মিথ্যা,
আমি ২-৩ বেলা না খাইয়া থাকা মানবীয় খোলসে ভর্তি কুত্তা।



তোমার কবিত্বশক্তিডারে ডরাই আমি কবি

তোমার কবিত্বশক্তিডারে ডরাই আমি কবি

-সজল আহমেদ

কয়েকটা আকাঠ ছন্দে মেলানো শব্দগুচ্ছ,
ধাঁচে একটা বড়সড় অ্যাটমবোম্ব
তোমার ছন্দের উদ্ভাবন
উৎপীড়নকারী তামাম ভূস্বামীর পতন।
অতএব,
কবি তুমি কলম থামায়োনা।
যেদিন অতথা এহুদীয় পাত্তি পাত্তি আইন সব ধুলায় লুটায়ে যাবে,
পৃথিবীতে আর মানুষ্যত্ব বইলা কিছুই থাকবেনা,
সেদিনও তোমার ছন্দ চলবো-
এ ছন্দের কোন পতন নাই ওগো কবি
পত্তন আছে নতুন নতুন সব অভ্যুত্থান এর।
তুমি উদার মস্তকে লিখে যাও
তোমার সব অভ্যুত্থানের কথা। 

বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

আই ওয়ান্না ফাক দ্যাট হিউম্যানিটি

আই ওয়ান্না ফাক দ্যাট হিউম্যানিটি

        -সজল আহমেদ





আমি মঞ্চে খাড়ায়া কইছি পৃথিবীময় আজ মানবতা বিলুপ্ত,

দেশে মানুষ না খায়া মরতাছে,দেশে বস্তির সংখ্যা দিনকে দিন বাইড়া যাচ্ছে,

দেশ আজ গরীবখানা, দেশে মানুষ না খায়া মরে,

শিশু অপুষ্টি,বছর বছর অটিজম জন্মাইতেছে!

আমি হিউম্যানিটির কথা কই,আজ বিলুপ্ত হিউম্যানিটি,

ব্যাংক ব্যালেন্স আমার দশকোটি,

দশ বছর টানা দিতাছি কর ফাঁকি!

মঞ্চের আশেপাশের কোন মানুষ আছিলোনা
 সবগুলা আছিলো কাঠের পুতলা।
অন্যদিকে,
এক বিরোধী দলের কর্মী, ইয়ং পোলা
খাড়ায়া আমারে ঝাড়ি দিয়া কইল, 
দেশের জনতার রক্ত চুইষা চুইষা খায় টেলিকম কোম্পানি,

ব্রিটিশগো মতন ওরাও গাড়ছে নীল কুঠী-

এয়ারটেল, গ্রামীণ, বাংলালিংক, রবি শত শতকোটি টাকা ভ্যাট দিবেনা!

বিটিআরসি ও তার খোঁজ নিবেনা!

রবী বছরে একবার জনগণের টাকায় পথশিশুগো গেঞ্জি দিবে,

জনগণের পুটকি মাইরা নিজেগো নাম ফুটাইবো।গেঞ্জিভরা রবীর সিল থাকবো আর টিভিতে অ্যাড হবে,রবী আছে গরীব পুলাপানের পাশে! 
ওগো চালাকি নিয়া কোন কথা কেউ কইবেনা!

ঐদিকে গরীব ব্যাটারা যদি সামান্য পাদ ও দেয়,

তাইলেও তাগো ফাঁক পাইলে পাছা কাইটা নেয়!
আমি এতক্ষণ দাঁড়ায়া সব শুনছিলাম,
আমি নেতা- অফমান সইহ্য করবার মত ক্ষেমতা আমার নাই,
চউক্ষের ইশারায় পি.এস রে কইলাম
ফিনিইইইসসসস...
পরেরদিন পত্রিকায় শিরোনাম দেখলাম
আফসোস আফসোস কেন আমার বিপক্ষে খাড়াইলি!