সজল আহমেদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সজল আহমেদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭

কবিতার বই পিডিএফ ডাউনলোড

এষামিলা সিরিজ

-সজল আহমেদ

সাইজ ৪ মেগাবাইট
ডাউনলোড লিংকঃ

এষামিলা কথন
এষামিলা একজন নারী, যাঁরে আমি স্বপ্নে দেখি কিন্তু আদতে সে আছে কিনা আমি জানি না! তাঁরে আমি সর্বদা স্মরণ করি দিল থিকা। আমার আর তার লগে ব্যবধান খালি কল্পনার একটা পর্দা! সে আমার কবিতায় ভাসে। দেখতে সে অতীব সুন্দরী! হাসলে তাঁর গালে একটা টোল পরে। সেই টোল অবলম্বন কইরা আমি হাজার বছর বাইচা থাকতে পারি। পৃথিবীর সব টোলপরা প্রেমিকাদের মধ্যে আমি এষামিলারে দেখি। পৃথিবীর সব টোলপরা মেয়ে হোক এষামিলা।
সজল আহমেদ
১৫/০৮/২০১৭

রবিবার, ২১ মে, ২০১৭

শ্রমিক


-সজল আহমেদ

শ্রমিকের ঘাম গড়িয়ে মুখে পরে নোনতা স্বাদে মুখ থিতু হয়ে যায়
বক্তার বকবকে কান ফেটে চৌচির হয়।
তুমি বক্তা বকবকে ১ টা বেলা,
শ্রমের মূল্য দিতে ফাল পারো ম্যালা।
সাম্বাধিক সকল কলম হাতে

সোমবার, ৮ মে, ২০১৭

রবীন্দ্র সমালোচনার নামে

-সজল আহমেদ


আমরা রবীন্দ্র সমালোচনার নামে কিছু সমালোচনা করি বাইবেল নীতিতে অথবা প্রথিত বিদ্বেষ থেকে। বাইবেলের মত বাপের দোষ সন্তানের মাথায় চাপাতে চাই।

মঙ্গলবার, ২ মে, ২০১৭

কবিতাঃ দেবী দুবি প্রগতি

দেবী দুবি প্রগতি

-সজল আহমেদ

পুনঃপুন ঈসরাফিলের চোঙ্গায়
প্যাঁপু ফুক মারে,
দুনিয়া তো ধ্বংসের পথে।
মানুষই তো মানুষের গোয়া মেরে খায়
দেবী থেমিস ভেতরথে ব্লোজব দেয়
জেগে ওঠ প্রগতি পাছায় তোমার কে শিঙ্গা লাগায়।
বসচা পুনরায় মাথাচাড়া দেয়

সোমবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৭

বাঙ্গালী মুসলমানদের সংস্কৃতি বিরোধী দোষে দোষারোপকারীদের অবশ্যপাঠ্য

বাঙ্গালী মুসলমানদের সংস্কৃতি বিরোধী দোষে দোষারোপকারীদের অবশ্যপাঠ্য

-সজল আহমেদ





মঙ্গোল শোভাযাত্রা হবে এটা নিয়ে চুপই ছিলাম আমার চারুকলার বন্ধুদের খাতিরে।এই যে তাঁরা রাক্ষস-টাক্ষস নিয়ে লাফাবে সেটাও তাদের খাতিরে সাম্প্রদায়িকতা ধরিনি কিন্তু এখন

শনিবার, ১৮ মার্চ, ২০১৭

একাকী কান্না-সজল আহমেদ এর কবিতা



একাকী কান্না

-সজল আহমেদ

যখন নিজেকে একা মনে কর;
কিংবা কাউকে হারিয়ে ফেলো;
পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখো-
প্রতিটা কোনায় কোনায় তাকাও

শনিবার, ১১ মার্চ, ২০১৭

গল্পঃ গন্ধপোকা

গন্ধপোকা

(ছোটগল্প)
যিযাম এক মধ্যবিত্ত পরিবারের একমাত্র ছেলে,পিতা রহমত মিয়া মধ্যবিত্ত চাষী।যিযামের সপ্ন বিরাট বড় লোক হওয়া।তার থাকবে একটি বিশাল বাড়ি।সুস্মিতা নামক একটা

মঙ্গলবার, ৭ মার্চ, ২০১৭

পন্ডিত-সজল আহমেদ এর কবিতা

পন্ডিত

-সজল আহমেদ

শত শত পন্ডিত গোয়া মেরে আজ তালবেলেম থিকা পুরোদস্তুর পন্ডিত হইয়াছি;
একটা সময় গেছে পারার চায়ের টঙে প্রতদিন দু-একটা পন্ডিত জন্মাইছি-
আমি যহন পারার বুদ্ধিজীবীদের বাপ
আর তখনো টোলে মেধাহীন ছাত্রদের ঠ্যাঙায় পন্ডিত সাপ।
পন্ডিতেগো বিদ্যাবুদ্ধিতে ঠাডা পরুক,ক্লাশ অন টুর বইতে-তে সীমবদ্ধ পন্ডিতগণ বিদ্যে বুদ্ধির জাহাজ সাজতে চায়
তাইতো কবিদের আসরে,বুদ্ধিজীবীদের আসরে খালি,গোয়ামারা খায়।

শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০১৭

বুদ্ধ কে দেখেছি:সজল আহমেদ এর কবিতা


বুদ্ধ কে দেখেছি


সজল আহমেদ

আধো আলো আধো অন্ধকারে এচড়ে পাকা চিত্ত ছুটে চলতে চাচ্ছে বুদ্ধের আসরে বুদ্ধের দেশে
অথচ ভিখেরিদের আমি পছন্দ করিনা।
ভিখিরির বেশে বুদ্ধ ভিক্ষে করছে যেখানে থালাহীন ন্যাড়া মাথা নিয়ে;

মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

কষ্ট আমার একারই থাক:সজল আহমেদ এর কবিতা

কষ্ট আমার একারই থাক

(বন্ধু স্বর্নার জন্য লেখা)

সজল আহমেদ

আবৃতিঃ

আমার লুকানো কষ্টের গলিতে নিয়মিত কষ্টেরা দল বেঁধে মিছিল করছে;
হিংসেয় জ্বলে পুড়ে মরছে কিছু নরকের কীট;

ভাতের অভাব নাই :সজল আহমেদ এর কবিতা

ভাতের অভাব নাই

~সজল আহমেদ~

ভাত উড়ছে আকাশে বাতাসে দরীদ্রতার কোন ছাপ নেই এই শহরের গোপন পতিতা পল্লিতে খদ্দেরের ও অভাব নেই।
দেহের কোটরে

রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

শোকরিয়া প্রভূ:সজল আহমেদ এর কবিতা

শোকরিয়া প্রভূ

-সজল আহমেদ


আজ দ্বীনহীনা আমি প্রভূর কাছে শুকরিয়া করে যাব,
কতকাল আর করে যাব চির বেঈমানদের মত নিজের পূজোপাঠ,
আজ অনেক কিছু বলার আছে প্রিয় প্রভূর কাছে প্রভূ শুনবেন কিন্তু বেঈমানের ফরিয়াদ।
না না প্রভূ আমি ফরহাদ মজহারের মত না তোমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবনা,
আমি প্রভূ অতটা বেত্তমিস না
আমার কাব্য হবে ভালোবাসার
যাতে কোন রক্তের দাগ থাকবেনা থাকবেনা বেত্তমিসতার কোন ছাপ।
আমি যুক্তির জালে তোমাকে বাঁধবনা
করবনা ছিটেফোটা অপমান
মানুষ করে গড়েছো করনি অপমান
আমি তো আর চারপেয়ে জানোয়ার হইনি
জানোয়ার হলে ;ঘাস চিবুতাম আর আকাশের পানে তাকিয়ে তাকি হাম্বা হাম্বা রবে ডাকতাম।
দয়া করে এতটা কাল বাঁচতে দিয়েছো;
আঙ্গুর নাশপতি দিয়েছো ঘাস খেয়ে তো তরতর করে বড় হইনি।
মুখে অন্ন দিয়া পেটে শান্তির নহর বইয়েছো
এটাই অনেক, এতেই খুশি এরপর আর লাগে কি?
দ্বীনহীন আমি বারে বারে আল্লাহ্ পাকের দরবারে দুহাত তুলে কাঁদি;
জড়াব্যাধি যত আছে মোর মাফ করে দাও যদি
চীর কৃতজ্ঞ থাকবো আলহামদুলিল্লাহ্ আলহামদুলিল্লাহ্ প্রভূ।
হীন আমি তোমার কাছে কীটের মতন;
পাপীতাপী বড় আমি বেঈমান আমি ঈমানের করেছি অযতন।
প্রভূ মাফ করে দিবেন কি?
রহমান কি মাফ না করে পারে
পাপীতাপী এই কীট সম বান্দারে।

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

কবি আমি তো আর আগের মতন নাই:সজল আহমেদ এর কবিতা

কবি আমি তো আর আগের মতন নাই

-সজল আহমেদ


কবিতা লিখতে লিখতে কবে যে বাস্তব থেইকা হারাইছি অলীকে;
কবি আমি তো এখন আমারেই চিনিনা
আমি যে কে বা একজন মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়া ভাবি না।
ঘুঘু পক্ষীর ডাক লাগে কুকিলের মত কুহুকুহু;
ঘুঘুরা কি তবে কুকিল হয়েছে?
নাকি উকিলের মত কুকিলদ্বয় সব ভোল পাল্টাইছে?
নাকি আমার মতন প্রকৃতিবিরুদ্ধ হওনের তালে আছে?
একটি সাদা পক্ষী ছিলো উড়ে গিয়াছিলো শান্তি নিকেতনে,
গিয়া দ্যাখে প্রকৃতিবিরুদ্ধ রবীন্দ্রনাথ ঘুমিয়ে আছেন অবচেতনে।
ঢাকা শিক্ষালয়ে আল্লাহ্'র ঘরের পাশে অবচেতনে
ঘুমায়ে আছেন প্রকৃতিবিরুদ্ধ নজরুল সাব
ঘুমায়ে আছেন শামসুর রহমান ঝিম মেরে আছে আলমাহামুদ, ফরহাদ মজহার;
একটা সাদা পক্ষী ছিলো আমার বার্তা বাহক
ঘুমন্ত সব প্রকৃতিবিরুদ্ধ কবিদের কাছে বার্তা পাঠায়েছি তার কাছে;
ওগো কবিরা,আমি তো আর আগের মতন নাই।

শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

শহীদ সেনা দিবস

শহীদ সেনা দিবস

-সজল আহমেদ


দুই হাজর নয় ভোলবার মত নয়
আমাদের ইতিহাসের কালো একটা অধ্যায় রচিত হয়েছে ফেব্রুয়ারির ২৫ তারিখ
বিডিআর বিদ্রোহ শুরু হইলো
ঝাঁক ঝাঁক পরাণ গেলো
৫৭ অফিসার ১৬ সেনা মোট
৭৩ জনের তাজা রক্তে গোসল করা গেলো
কবি তখনো নিরব;রাগে দুঃখে তার কলম চলতেছিলোনা তখনো তার রক্ত দেখনের খুবই হাউশ হিমোগ্লোবিনের স্বাদ মিডা  মিডা নোনতা।
২রা মার্চ এক নাটকীয় ভঙ্গিতে শত শত বিডিয়ার নওজোয়ান এক বিশাল হেরফেরের মধ্যে পরলো,
উপরে রাজা তার কাম সাড়িলো;
সুশীলগণ তখনো চুপ;রাজার গোয়া চেটে যেহেতু টিইক্কা থাকা;

সেহেতু অরূপরাহী গায়,
রাজায় কইছে চুদির ভাই আনন্দের আর সীমা নাই।
আমরা যেই ইতিহাস দ্যাখিনাই অথচ তার জন্য কত কী কত শত কাম কাজ করি;
মিনারে গিয়া ফুল দিই;
শহীদ মিনারের ৫ টা খুটি বরাবর সেলুট মারি;
৭৩ টা মিনারের খুটিতে সালাম দিবে কি আমার আব্বায়?

বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

বিদেশী ভাষা বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছে: সজল আহমেদ




বিদেশী ভাষা বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছে

সজল আহমেদ



↓প্রবন্ধটি পিডিএফ হিসাবে ডাউনলোড করুন↓
অনেকের প্রশ্ন দেখি,

"বাংলার ভিতরে ইংরেজির সংমিশ্রণ ঘটানোর আমাদের কি দরকার.???"

এইসব প্রশ্ন দেইখা হাসি যে পায় কি কমু!

শ্রদ্ধেও ভাই,আপনাগো প্রশ্নের জবাব দেওয়াটা বাংলাদেশী হিসাবে দায়িত্ব মনে কইরা উত্তর দিতাছি।লেখার বিষয়ের লগে একমত হ

প্রথমত কথা হইলো গিয়া ভাষা কি?

মনের ভাব প্রকাশ করারে কয় ভাষা।তা সেইটা যে রকম হউক সমস্যা কি? আঞ্চলিক হউক ইংরাজী মিশ্রণ হউক আর আরবী উর্দু মিশ্রণ হউক মনের ভাব বুঝাইতে পারার জন্যই একটা ভাষার জন্ম হয়।ভাষা সমৃদ্ধ করার জন্য প্রয়োজন অন্যান্য ভাষার সংমিশ্রণ।এখন আমি একজনের লেখা তুইলা ধরতাছি যিনি বাংলার লগে ইংরাজীর সংমিশ্রণের বিরোধীতা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় উৎপাত করছেনঃ
অ অা ক খ
ভাষার মাস বাংলিশ ভাষা ফেব্রুয়ারি
সেক্ষেত্রে অমর একুশ আমার ভাইয়ে রক্তে রাঙ্গানো ২১ ফেব্রুয়ারি গানটা না গেলে যেন কেমন ইই লাগে আর লাগার আরেকটা বিষয় যেটা না বললেই নয় " গ্রামীনফোন এর এড যেটা পাহারিদের নিয়েঅমর একুশ গানটা গেয়ে এড দেখানো হয় তা নিশ্চই বাংলাভাষাকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। ভাবতেই অবাক লাগে আমার দেশের মাতৃভাষাকে অন্য জাতীর লোকেরা সেটাকে সম্মান প্রদর্শন করেছে তাদের মাতৃভাষায় না আমাদের বাংলা ভাষায়। আদৌ কি গানটা বাংলা ভাষায় গেয়ে দেখানো হয়েছে ?? সেটার প্রথমে গানে ইংরেজিটাই ব্যবহার করা হয়েছে, এক্ষেত্রে আপনি কি বলবেন. ??? বাংলা ভাষাকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করা হয়েঠে নাকি অসম্মান করা হয়েছে ???।
বিষয়টাকে পজিটিভলি দেখলে পজিটিভ কারন স্বনামধন্য কোম্পানির বিজ্ঞাপন বলে কথা তারা তো সরকার অনুমোদিত করেই এটাকে পাব্লিসিটি করেছে তো নেগেটিভ নেওয়ার আর কি আছে ??? তবে এটা নেগেটিভ নিলে অনেক কিছু। যে ভাষার জন্য মানুষ এত স্লোগান আর বুকের তাজা রক্ত দিয়েছে সেই বাংলা ভাষার সাথে আমরা ইংরেজি মিশ্রিত করে বাংলিশ ভাষায় পরিনত করে ফেলছি।।হ্যা ইংরেজি ভাষা যে আমরা অর্জন করবো না তাও কিন্তৃ নয় কারন ইন্টারন্যাশনাল ভাষা যেটা সেটাকে কখনও দূরে ঠেলে দেওয়া সম্ভব নয় কারন জীবনে চলতে হলে ইংরেজি ভাষার চর্চা অত্যাবশ্যকীয় কিন্তু তাই বলে নিজ দেশের ভাষাকে তুচ্ছ হেয় প্রতিপন্ন করে দূরে ঠেলে দিবো তা হতে পারে না।
কয়েক হাজার বাঙ্গালিকে হয়ত শুধ ইংরেজি বলতে সক্ষম করে তোলা যাবে কিন্তু কোটি কোটি বাংগালিকে কখনই কাজ চালানোর মত ইংরেজিতে শিক্ষিত করে তোলা যাবে না"আমার কথা হচ্ছে দেশের সব সব মানুষকে ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত করা হোক তাতে কোন আপত্তি নেই কিন্তু নিজের মাতৃভাষা বাংলাকে ভুলে থেকে কা বাংলা ভাষাকে বাদ দিয়ে নয় ' এই মাতৃভাষা বাংলাকে সর্বোচ্চ প্রধান্য দিয়ে জাতী শুধু ইংরেজি না ফরাসি জার্মানি পর্তুগাল ভাষায় বই ছাপা হোক কিংব্বা স্তুল কোচিং প্রতিষ্ঠা হোক তা যেন বাংলা ভাষাকে ছাড়িয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে আমাদের।আমরা যতটা বাংলায় কথা বলি তার থেকে ইংরেজি ভাষাটাই প্রয়োগ বেশি করে থাকি এ যেন আমাদের চিরাচরিত বদ অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছে।গতকাল এক ভাইকেও দেখলাম এই ইংরেজি চর্চা আর বাংলা ভাষার চর্চা সম্পর্কে অনেক কথা লিখেছেন আর লিখবেই না কেন.?? নিজের ভাষা মাতৃ্ভাষাকে ভালবাসি বলেই। বাংলার ভিতরে ইংরেজির সংমিশ্রণ ঘটানোর আমাদের কি দরকার.???
ক্রমেই আমরা আমাদের বাংলা ভাষাকে হারিয়ে বাংলিশ ভাষাকে প্রধান্য দিয়ে যাচ্ছি।আজ আমরা রফিক সালাম আর বরকতদের রক্ত দেওয়া কথা ভুলে গিয়ে হৃদয়ে খোদাই করে দিয়েছি ইংরেজ শাসনের বানী ' ওই শাসন ভুলে আমাদের উচিৎ প্রত্যেকের যায়গা থেকে বাংলা ভাষার প্রতি সতর্ক হওয়া আর সতর্ক হলেই রফিক সালামের রক্ত বৃথা যাবেনা।ফেব্রুয়ারি মাস এলেই আমরা মাস ব্যাপি বই মেলা দিয়ে দেখিয়ে থাকি আমরা বাংলাকে বড্ড ভালবাসি আর ২৮ ফেব্রুয়ারি চলে গেলেই আমরা আবাং দীর্ঘ ১১ মাসের জন্য ভুলে যাই সেই ভাষার ব্যবহার ' বাংলা ভাষা শুধু ২১ ফেব্রুয়ারি বা একমাস জুড়ে বিচরন না করে হৃদয়ে বাংলাভাষাকে গেথে সমগ্র জীবন জুড়ে পরিচালনা করা উচিৎ যে কখনও এই ভাষা হারিয়ে না যায়।
-আরিফুল ইসলাম





পাঠক তাঁর লেখাখান লক্ষ্য করেন।দেখেন তিনি প্রমিত বাংলা শব্দ গঠনের কথা কইতাছেন কিন্তু তার দ্বারা কি ইংরাজী এড়ানো সম্ভব হইলো?

এই যেমন উনার লেখায় উনি ইউজ করলেন "এড, পজেটিভ,কোচিং " এইগুলা উনি বাংলায় যথাক্রমে "বিজ্ঞাপন,ধনাত্মক, শিক্ষালয়" লিখলে বুঝতে কষ্ট হইতো অনেকেরই।চেয়ার কে কেদারা কইলে কয়জন বুঝবে? ১০০% এ ৭০% বাংলাদেশী জানেনা কেদারা খান কি জিনিস। মনে করেন আমি কেদারা কি জানিনা এখন যদি বলেন, সজল তুমি আরাম কেদারা খান নিয়া আহো আমি শুইয়া বইয়া আরাম ফরমাইবো।এখন আমি তো আরাম কেদারা খান কি সেইটা বুঝমুইনা,সেইক্ষেত্রে আমার লগে এই পুরা বাংলা ভাষা ইউজ করা হবে মনের ভাব প্রকাশের অপব্যয় বা পন্ডিতগিরি দেখাইনা।আর রফিক, শফিক তারা মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দিছে,তাগো মাতৃভাষায় যথাক্রমে,আরবী, ফারসি,ইংলিশ ইত্যাদির মিশ্রণ আছিলো।
 বাংলা ভাষায় আদীকাল থেইকাই বিদেশী ভাষার মিশ্রণ চলতেছে।পাঁচ হাজার খ্রিস্টপূর্বে জন্ম নেওয়া ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা থেইকা পরিবর্তন হইতে হইতে শতম, আর্য, প্রাচীন প্রাচ্য, গৌড়ী প্রাকৃত/মাগধী, অপভ্রংশ, বঙ্গ কামরূপী থেইকা ৬৫০ খ্রিস্টাব্দে জন্ম নিছে বাংলা ভাষা।তারপর সেইখান থিকা বিবর্তন হইতে হইতে আজকের আমাগো এই চলিত বাংলা।এর লগে মিক্সড আছে প্রচুর বিদাশী শব্দ,এর জন্যই মূলত হইছে এই বিবর্তন।কেউ পারছে ভাষার বিবর্তন ঠেকাইতে?

যদি বাংলা ভাষার মধ্য থেইকা বিদেশী ভাষা তাড়াইতে চান আপনে সে ক্ষেত্রে অযৌক্তিক একটা কাজ হাতে নিতাছেন বা অযৌক্তিক কিছু লিখলেন,এবং এইটা জীবনে সম্ভব না যেহেতু ডাঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ ভাষা বিজ্ঞানী হইয়াও পারেন নাই নিজেরে ফারসি, ইংরাজী শব্দ থেইকা দূরে রাখতে।

আরবী, ফারসি, ইংলিশ,ফ্রান্সিস

,পর্তুগিজ, হিন্দি, উর্দু তথা এইসব বিদেশী শব্দ প্রাচীন থেইকা বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ করছে।আমরা যদি ১০০ শব্দের কথা কই তার মধ্যে দশটা /বিশটা কই বিদেশী শব্দ।খালি যে আমরা কই তা কিন্তু না,প্রত্যেকটা ভাষাভাষী তাগো ভাষা সমৃদ্ধ করছে বিদেশী শব্দ দিয়া,এমন কি ইংরেজী ভাষাও।এই নিয়মটা চিরাচারিত,এইটার পিছনে ইতিহাস না কই।এখন ভাই বলেন,

"বাংলার ভিতরে ইংরেজির সংমিশ্রণ ঘটানোর আমাদের কি দরকার?"

এই প্রশ্নটাই বা কতটা যৌক্তিক যেইখানে আপনারা কথায় কথায় নিজেরাই বাংলায় ইংরাজী ইউজ করতেছেন দেধারছে! এমনকি বাংলায় যারা বিন্দুমাত্র ইংরাজীর ছিটেফোঁটা দেখতে চায়না তারাও ইংরাজী স্ট্রাকচার ইউজ করতাছেন।সেইক্ষেত্রে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীরে ধরি।তিনি সারাটা জীবন বাংলায় ইংরাজীর মিশ্রণের বিরোধীতা করছেন কিন্তু নিজে কি ইংরাজী থেইকা নিজেরে মুক্ত করতে পারছে? আসেন ব্রাত্য রাইসুর লেখা থেইকা জানি,


সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর হইলে english নইলে বাংলা! ~
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী নাকি হইলে english আর নইলে বাংলা লেখেন।
খালি লেখা না, বলার সময়ও এই শুদ্ধতা বজায় রাখেন।
উনি banglay ইংরাজির মিশ্রণ ঘটান না। ইংরাজিতে অবশ্য উনি কেন, কেউই বাংলার misron ঘটায় না।
তার ছাত্রছাত্রীদের দেখছি এই বিষয়ে মুগ্ধতা আছে। যেইখানে ভাষা, অন্তত বাংলা ভাষা গইড়াই উঠছে হইল ভাষামিশ্রণ দিয়া, সেইখানে ওনার এই রকম অবিমিশ্রতার তপস্যা কেন?
২.
তা উনি কেমন বাংলা লেখেন দেখা যাউক:
“ইংরেজ যে এসেছিল সে তো কেবল বন্দুক ও আইনকানুন নিয়ে নয়, সঙ্গে পুরো একটা ব্যবস্থাকেও নিয়ে এসেছিল বৈকি। ওই ব্যবস্থাটাকে বলা যায় পুঁজিবাদী। পুঁজিবাদ একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, সেই সঙ্গে সে একটি আদর্শও বটে। এদেশের শিক্ষিত মানুষেরা ওই ব্যবস্থা ও আদর্শের কাছেও বিলক্ষণ নতি স্বীকার করেছে। এই নতি স্বীকারটিই বরঞ্চ স্থায়ী হয়েছে, এবং তা মেরুদণ্ডকে শক্ত হতে দেয়নি। শাসক বদল হয়েছে, কিন্তু ব্যবস্থা ও আদর্শের কোনো হেরফের ঘটেনি। এখন আর বিদেশিরা নেই, এখন আমরা নিজেরাই নিজেদের শাসন করছি।”— (শিরদাঁড়াটা কোথায় থাকে)
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর এই বাংলা শেষ পর্যন্ত ইংরেজি-বাংলা। বাক্য গঠনে ইংরেজি স্ট্রাকচার খলবলাইতেছে। যিনি বাংলায় ইংরেজি ওয়ার্ডের টিকিটিও দেখিতে নাহি চান তার বাংলায় ইংরেজি বাক্যগঠনের এমন নকলদারি কেন?
৩.
বোধহয় উনি ইংরেজের তরেই বাংলাটি লেইখা থাকেন। তা আমাদের সব শুদ্ধ ভাষা অলারাই লেখেন।
ব্রাহ্ম সমাজের নামে খ্রিষ্ট ধর্মের ছুৎমার্গরে জনমণ্ডলীর ভাষায় পরিব্যপ্ত কইরা দিছিলেন রবীন্দ্রনাথ। তা আমরা এখনো সকল প্রাতিষ্ঠানিকতায়, আনুষ্ঠানিকতায় বহাল রাখতেছি।"
-ব্রাত্য রাইসু
২২/০২/২০১৭
ফেসবুক থেকে নেওয়া।

তবে আপনাগো ফাঁকে আরেকটা কথা জানাইয়া রাখন ভালো,মাতৃভাষা একচেটিয়া ভাবে ব্যবহারের বিপক্ষে ও আমি না,উপরে ভাষার বিবর্তন সম্বন্ধে বলা হইছে,এবং মাতৃভাষা বিষয়ক কিছু কথা আছে।আমি আগেই জানাইয়া রাখি,
 ১.আমি একচেটিয়া মাতৃভাষা ফলানোর বিপক্ষে না বরংচ এইটার প্রশংসা করি। ২.আমি চাইনা মাতৃভাষার জায়গায় অন্য কোন ভাষা অধিপত্য বিস্তার করুক। ৩.এবং ভাষা বিবর্তন এর বিপক্ষেও না। 
আমি মূলত আলোচনা করতে চাইতেছি আপনাগো উত্থাপিত প্রশ্ন,
❝বাংলার ভিতরে ইংরেজির সংমিশ্রণ ঘটানোর আমাদের কি দরকার? ❞ 
এই আলোচনার মধ্যে ইন্দো ইউরোপীয় থেইকা ভাষার বিবর্তন, মাতৃভাষার একচেটিয়া ব্যবহার,বা অপর ভাষার অধিপত্য ইত্যাদি নিয়া আপনাগো সব মতামতের বিপক্ষে আমি না।আমি খালি এইটার বিপক্ষে, ❝বাংলার ভিতরে ইংরেজির সংমিশ্রণ ঘটানোর আমাদের কি দরকার? ❞ আমি আগেই কইছি ভাষা সমৃদ্ধ করছে বিদাশী ভাষা।তবে একচেটিয়া বিদাশী ভাষা ইউজ করার কথা আমি কইনা,ইংরাজী দিয়া যারা অফিস শুরু করে সেইটা তাগো নীতিগত সমস্যা, এইটার বিপক্ষ আমি কেন সব বাংলাদেশীরা করে প্রকাশ্যে বা মনে মনে এইটা আমার ধারণা।তবে আমি এইটার লগে একমত না যে, বাংলায় ইংরাজীর সংমিশ্রণ থাকলে সেইটা হবে অশুদ্ধ।যদি বক্তার কথা বলায় অতিরিক্ত ইংরাজী থাকে আর সেইটা বুঝতে ২য় ব্যক্তির বুঝতে কষ্ট হয় তাইলে সেইটা জ্যাঠামী বা ভাষার অপব্যবহার।আর, চিরাচরিত ভাবে একটা ভাষা অন্য একটা ভাষারে সমৃদ্ধ করছে এইটা দোষের কিছু কি? আর এইগুলা আমাগো ভাষায় এমন ভাবে মিলছে যে দ্রুত সেইগুলা বাদ দেওন হবে একেবারে অসম্ভব!আর আস্তে আস্তে ভাষায় যেইভাবে বিদাশী ভাষার মিশ্রণ হইতাছে তাতে ভবিষ্যতে "আমি" কইলে "চা খামু" কইবে ইংরাজী বা হিন্দি তে।এই ব্যাপারটার বিরোধীতা করণ যায়, কিন্তু এক্কেবারে সব গুলা উপড়ায়া ফেলা অসম্ভব!


সজল আহমেদ
mrsajal2@gmail.com
facebook/sajalahmed2222


আমি এক জ্ঞান তাপসরে খুঁজি:অধ্যাপক আঃ রাজ্জাকের প্রতি

আমি এক জ্ঞান তাপসরে খুঁজি

(অধ্যাপক আঃ রাজ্জাকের প্রতি)

-সজল আহমেদ


স্যার কত শত যে প্রফেসর দেখি মিনিটে মিনিটে জন্ম লয়
দাঁড়াইয়া উচ্চস্থানে জ্ঞানপিপাসুদের ভাবেন চুদির ছেলে;

বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ভাই আর আল্লাহ্'র নিয়ম:সজল আহমেদ এর কবিতা

ভাই আর আল্লাহ্'র নিয়ম

সজল আহমেদ                                           

আজ আকাশে মেঘের দ্যাশে কত শত ঘুড্ডির প্যাঁচাপ্যাঁচি দেখি অথচ
ভাই কতকাল তোর তৈরী রঙিন ঘুড্ডির প্যাঁচাপ্যাঁচি দেখিনা;
দুই ভাই রঙিন ঘুড্ডিও মেঘ দ্যাশে উড়াই না,
আর কচাত কইররা আমার ঘুড্ডির সুতাও কেউ কাটে না কেন?
আমার লগেই এমন ঘটে কেন?
জগদীশ্বর ;এই তামাম নশ্বর দুনিয়ায় মানুষ এত হতভাগা কেন?
তামাম দুনিয়ায় জোড়া মানিক দিলা;অথচ এক লগে টানা শত বছর থাকনের নিয়ম দিলানা!
দিলা অব্যক্ত কিছু স্মৃতি;যা মনে পরনের লগে লগে কাইন্দা বার বার উঠি।
এক প্লেট তরমুজ আর আগুনে পোড়া তিতইলের বিচি;
আমারে দিলি কম তুই নিলি বেশি।
আমার হাতে যখন খাওনের বাটি,
ভাগেই জান্নাত জাহান্নাম বইলা নিয়া নিলি বেশি,
ঐসব মিস্টি জোচ্চুরি আর ম্যাঘের দ্যাশে ঘুড্ডি উড়ানোর স্মৃতিমালা পুরানা কাসুন্দি ঘাইটা পাইয়া গেলাম রঙিন স্মৃতির কথামালা।
জগদীশ্বর ;এই তামাম নশ্বর দুনিয়ায় মানুষ এত হতভাগা কেন?
মানুষ কেন জীবীকার তাগিদে বাপ মা ভাইরে ফাঁটকি দিয়া দূর দ্যাশে পারি জমায়?
সংসার ঘরে আর নতুন মানুষের লগে ঘর করে।
সংসার ঘর কি খালি তাইলে স্মৃতির জ্বলন্ত মোমবাতি,
যার একদিকে ছায়া দিলে অন্যদিক আলোকিত করে?
জগদীশ্বর ;এই তামাম নশ্বর দুনিয়ায় মানুষ এত হতভাগা কেন?
কেন মোমবাতির লাখান জীবন কাল তার?
একপাশ তার প্রতিষ্ঠিত করে অন্যপাশ হয় স্মৃতি বিজড়িত দুঃখের কষ্টের আর সাগর সম কান্দনের?
জগদীশ্বর এই যদি হয় নিয়ম নীতি তাইলে একটু ঘুরাইয়া ফিরাইয়া দেওনের আর্জি করি।

সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

কবি ইয়া নফসি ইয়া নফসি:সজল আহমেদ এর কবিতা

কবি ইয়া নফসি ইয়া নফসি

-সজল আহমেদ

ঐ বিচ্ছিরি চুলের গন্ধ
একটা সময় আমায় টানতো,
ও কি মদের নেশা,না ভালোবাসা?
অব্যক্ত কথাগুলি,আর ফিরে দেখা কিছু স্মৃতি;
চুলের নেশা আর আমায় টানেনা;
কবি যার যার পথ সে ধরছে-
ইয়া নফসি ইয়া নফসি।
একাই পথ খুঁজি ;কাটা তারের বেড়া ভাঙ্গি
আর জঙ্গলের পানে তাকাইয়া রবী ঠাকুরের গানের করুণ বীণায় তান বাজাই;
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে
তবে একলা চলরে।
জানি এই পথে যতই কাঁটা থাকুক না কেন-
একলাই হৈবে চলতে;
যতই পিছলা হউক একলাই পার হমু কাদা
ধরনি ছাড়া সাকো আর পুল সেরাত-
তোমারে দরকার নাই মুড়ি চাবাও গিয়া।
কবি সাব যার যার পথ সে ধরছে-
ইয়া নফসি ইয়া নফসি।