কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭

কবিতার বই পিডিএফ ডাউনলোড

এষামিলা সিরিজ

-সজল আহমেদ

সাইজ ৪ মেগাবাইট
ডাউনলোড লিংকঃ

এষামিলা কথন
এষামিলা একজন নারী, যাঁরে আমি স্বপ্নে দেখি কিন্তু আদতে সে আছে কিনা আমি জানি না! তাঁরে আমি সর্বদা স্মরণ করি দিল থিকা। আমার আর তার লগে ব্যবধান খালি কল্পনার একটা পর্দা! সে আমার কবিতায় ভাসে। দেখতে সে অতীব সুন্দরী! হাসলে তাঁর গালে একটা টোল পরে। সেই টোল অবলম্বন কইরা আমি হাজার বছর বাইচা থাকতে পারি। পৃথিবীর সব টোলপরা প্রেমিকাদের মধ্যে আমি এষামিলারে দেখি। পৃথিবীর সব টোলপরা মেয়ে হোক এষামিলা।
সজল আহমেদ
১৫/০৮/২০১৭

রবিবার, ২১ মে, ২০১৭

শ্রমিক


-সজল আহমেদ

শ্রমিকের ঘাম গড়িয়ে মুখে পরে নোনতা স্বাদে মুখ থিতু হয়ে যায়
বক্তার বকবকে কান ফেটে চৌচির হয়।
তুমি বক্তা বকবকে ১ টা বেলা,
শ্রমের মূল্য দিতে ফাল পারো ম্যালা।
সাম্বাধিক সকল কলম হাতে

মঙ্গলবার, ২ মে, ২০১৭

কবিতাঃ দেবী দুবি প্রগতি

দেবী দুবি প্রগতি

-সজল আহমেদ

পুনঃপুন ঈসরাফিলের চোঙ্গায়
প্যাঁপু ফুক মারে,
দুনিয়া তো ধ্বংসের পথে।
মানুষই তো মানুষের গোয়া মেরে খায়
দেবী থেমিস ভেতরথে ব্লোজব দেয়
জেগে ওঠ প্রগতি পাছায় তোমার কে শিঙ্গা লাগায়।
বসচা পুনরায় মাথাচাড়া দেয়

মঙ্গলবার, ৭ মার্চ, ২০১৭

পন্ডিত-সজল আহমেদ এর কবিতা

পন্ডিত

-সজল আহমেদ

শত শত পন্ডিত গোয়া মেরে আজ তালবেলেম থিকা পুরোদস্তুর পন্ডিত হইয়াছি;
একটা সময় গেছে পারার চায়ের টঙে প্রতদিন দু-একটা পন্ডিত জন্মাইছি-
আমি যহন পারার বুদ্ধিজীবীদের বাপ
আর তখনো টোলে মেধাহীন ছাত্রদের ঠ্যাঙায় পন্ডিত সাপ।
পন্ডিতেগো বিদ্যাবুদ্ধিতে ঠাডা পরুক,ক্লাশ অন টুর বইতে-তে সীমবদ্ধ পন্ডিতগণ বিদ্যে বুদ্ধির জাহাজ সাজতে চায়
তাইতো কবিদের আসরে,বুদ্ধিজীবীদের আসরে খালি,গোয়ামারা খায়।

শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০১৭

বুদ্ধ কে দেখেছি:সজল আহমেদ এর কবিতা


বুদ্ধ কে দেখেছি


সজল আহমেদ

আধো আলো আধো অন্ধকারে এচড়ে পাকা চিত্ত ছুটে চলতে চাচ্ছে বুদ্ধের আসরে বুদ্ধের দেশে
অথচ ভিখেরিদের আমি পছন্দ করিনা।
ভিখিরির বেশে বুদ্ধ ভিক্ষে করছে যেখানে থালাহীন ন্যাড়া মাথা নিয়ে;

মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

কষ্ট আমার একারই থাক:সজল আহমেদ এর কবিতা

কষ্ট আমার একারই থাক

(বন্ধু স্বর্নার জন্য লেখা)

সজল আহমেদ

আবৃতিঃ

আমার লুকানো কষ্টের গলিতে নিয়মিত কষ্টেরা দল বেঁধে মিছিল করছে;
হিংসেয় জ্বলে পুড়ে মরছে কিছু নরকের কীট;

ভাতের অভাব নাই :সজল আহমেদ এর কবিতা

ভাতের অভাব নাই

~সজল আহমেদ~

ভাত উড়ছে আকাশে বাতাসে দরীদ্রতার কোন ছাপ নেই এই শহরের গোপন পতিতা পল্লিতে খদ্দেরের ও অভাব নেই।
দেহের কোটরে

রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

শোকরিয়া প্রভূ:সজল আহমেদ এর কবিতা

শোকরিয়া প্রভূ

-সজল আহমেদ


আজ দ্বীনহীনা আমি প্রভূর কাছে শুকরিয়া করে যাব,
কতকাল আর করে যাব চির বেঈমানদের মত নিজের পূজোপাঠ,
আজ অনেক কিছু বলার আছে প্রিয় প্রভূর কাছে প্রভূ শুনবেন কিন্তু বেঈমানের ফরিয়াদ।
না না প্রভূ আমি ফরহাদ মজহারের মত না তোমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবনা,
আমি প্রভূ অতটা বেত্তমিস না
আমার কাব্য হবে ভালোবাসার
যাতে কোন রক্তের দাগ থাকবেনা থাকবেনা বেত্তমিসতার কোন ছাপ।
আমি যুক্তির জালে তোমাকে বাঁধবনা
করবনা ছিটেফোটা অপমান
মানুষ করে গড়েছো করনি অপমান
আমি তো আর চারপেয়ে জানোয়ার হইনি
জানোয়ার হলে ;ঘাস চিবুতাম আর আকাশের পানে তাকিয়ে তাকি হাম্বা হাম্বা রবে ডাকতাম।
দয়া করে এতটা কাল বাঁচতে দিয়েছো;
আঙ্গুর নাশপতি দিয়েছো ঘাস খেয়ে তো তরতর করে বড় হইনি।
মুখে অন্ন দিয়া পেটে শান্তির নহর বইয়েছো
এটাই অনেক, এতেই খুশি এরপর আর লাগে কি?
দ্বীনহীন আমি বারে বারে আল্লাহ্ পাকের দরবারে দুহাত তুলে কাঁদি;
জড়াব্যাধি যত আছে মোর মাফ করে দাও যদি
চীর কৃতজ্ঞ থাকবো আলহামদুলিল্লাহ্ আলহামদুলিল্লাহ্ প্রভূ।
হীন আমি তোমার কাছে কীটের মতন;
পাপীতাপী বড় আমি বেঈমান আমি ঈমানের করেছি অযতন।
প্রভূ মাফ করে দিবেন কি?
রহমান কি মাফ না করে পারে
পাপীতাপী এই কীট সম বান্দারে।

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

কবি আমি তো আর আগের মতন নাই:সজল আহমেদ এর কবিতা

কবি আমি তো আর আগের মতন নাই

-সজল আহমেদ


কবিতা লিখতে লিখতে কবে যে বাস্তব থেইকা হারাইছি অলীকে;
কবি আমি তো এখন আমারেই চিনিনা
আমি যে কে বা একজন মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়া ভাবি না।
ঘুঘু পক্ষীর ডাক লাগে কুকিলের মত কুহুকুহু;
ঘুঘুরা কি তবে কুকিল হয়েছে?
নাকি উকিলের মত কুকিলদ্বয় সব ভোল পাল্টাইছে?
নাকি আমার মতন প্রকৃতিবিরুদ্ধ হওনের তালে আছে?
একটি সাদা পক্ষী ছিলো উড়ে গিয়াছিলো শান্তি নিকেতনে,
গিয়া দ্যাখে প্রকৃতিবিরুদ্ধ রবীন্দ্রনাথ ঘুমিয়ে আছেন অবচেতনে।
ঢাকা শিক্ষালয়ে আল্লাহ্'র ঘরের পাশে অবচেতনে
ঘুমায়ে আছেন প্রকৃতিবিরুদ্ধ নজরুল সাব
ঘুমায়ে আছেন শামসুর রহমান ঝিম মেরে আছে আলমাহামুদ, ফরহাদ মজহার;
একটা সাদা পক্ষী ছিলো আমার বার্তা বাহক
ঘুমন্ত সব প্রকৃতিবিরুদ্ধ কবিদের কাছে বার্তা পাঠায়েছি তার কাছে;
ওগো কবিরা,আমি তো আর আগের মতন নাই।

শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

শহীদ সেনা দিবস

শহীদ সেনা দিবস

-সজল আহমেদ


দুই হাজর নয় ভোলবার মত নয়
আমাদের ইতিহাসের কালো একটা অধ্যায় রচিত হয়েছে ফেব্রুয়ারির ২৫ তারিখ
বিডিআর বিদ্রোহ শুরু হইলো
ঝাঁক ঝাঁক পরাণ গেলো
৫৭ অফিসার ১৬ সেনা মোট
৭৩ জনের তাজা রক্তে গোসল করা গেলো
কবি তখনো নিরব;রাগে দুঃখে তার কলম চলতেছিলোনা তখনো তার রক্ত দেখনের খুবই হাউশ হিমোগ্লোবিনের স্বাদ মিডা  মিডা নোনতা।
২রা মার্চ এক নাটকীয় ভঙ্গিতে শত শত বিডিয়ার নওজোয়ান এক বিশাল হেরফেরের মধ্যে পরলো,
উপরে রাজা তার কাম সাড়িলো;
সুশীলগণ তখনো চুপ;রাজার গোয়া চেটে যেহেতু টিইক্কা থাকা;

সেহেতু অরূপরাহী গায়,
রাজায় কইছে চুদির ভাই আনন্দের আর সীমা নাই।
আমরা যেই ইতিহাস দ্যাখিনাই অথচ তার জন্য কত কী কত শত কাম কাজ করি;
মিনারে গিয়া ফুল দিই;
শহীদ মিনারের ৫ টা খুটি বরাবর সেলুট মারি;
৭৩ টা মিনারের খুটিতে সালাম দিবে কি আমার আব্বায়?

বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

আমি এক জ্ঞান তাপসরে খুঁজি:অধ্যাপক আঃ রাজ্জাকের প্রতি

আমি এক জ্ঞান তাপসরে খুঁজি

(অধ্যাপক আঃ রাজ্জাকের প্রতি)

-সজল আহমেদ


স্যার কত শত যে প্রফেসর দেখি মিনিটে মিনিটে জন্ম লয়
দাঁড়াইয়া উচ্চস্থানে জ্ঞানপিপাসুদের ভাবেন চুদির ছেলে;

বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ভাই আর আল্লাহ্'র নিয়ম:সজল আহমেদ এর কবিতা

ভাই আর আল্লাহ্'র নিয়ম

সজল আহমেদ                                           

আজ আকাশে মেঘের দ্যাশে কত শত ঘুড্ডির প্যাঁচাপ্যাঁচি দেখি অথচ
ভাই কতকাল তোর তৈরী রঙিন ঘুড্ডির প্যাঁচাপ্যাঁচি দেখিনা;
দুই ভাই রঙিন ঘুড্ডিও মেঘ দ্যাশে উড়াই না,
আর কচাত কইররা আমার ঘুড্ডির সুতাও কেউ কাটে না কেন?
আমার লগেই এমন ঘটে কেন?
জগদীশ্বর ;এই তামাম নশ্বর দুনিয়ায় মানুষ এত হতভাগা কেন?
তামাম দুনিয়ায় জোড়া মানিক দিলা;অথচ এক লগে টানা শত বছর থাকনের নিয়ম দিলানা!
দিলা অব্যক্ত কিছু স্মৃতি;যা মনে পরনের লগে লগে কাইন্দা বার বার উঠি।
এক প্লেট তরমুজ আর আগুনে পোড়া তিতইলের বিচি;
আমারে দিলি কম তুই নিলি বেশি।
আমার হাতে যখন খাওনের বাটি,
ভাগেই জান্নাত জাহান্নাম বইলা নিয়া নিলি বেশি,
ঐসব মিস্টি জোচ্চুরি আর ম্যাঘের দ্যাশে ঘুড্ডি উড়ানোর স্মৃতিমালা পুরানা কাসুন্দি ঘাইটা পাইয়া গেলাম রঙিন স্মৃতির কথামালা।
জগদীশ্বর ;এই তামাম নশ্বর দুনিয়ায় মানুষ এত হতভাগা কেন?
মানুষ কেন জীবীকার তাগিদে বাপ মা ভাইরে ফাঁটকি দিয়া দূর দ্যাশে পারি জমায়?
সংসার ঘরে আর নতুন মানুষের লগে ঘর করে।
সংসার ঘর কি খালি তাইলে স্মৃতির জ্বলন্ত মোমবাতি,
যার একদিকে ছায়া দিলে অন্যদিক আলোকিত করে?
জগদীশ্বর ;এই তামাম নশ্বর দুনিয়ায় মানুষ এত হতভাগা কেন?
কেন মোমবাতির লাখান জীবন কাল তার?
একপাশ তার প্রতিষ্ঠিত করে অন্যপাশ হয় স্মৃতি বিজড়িত দুঃখের কষ্টের আর সাগর সম কান্দনের?
জগদীশ্বর এই যদি হয় নিয়ম নীতি তাইলে একটু ঘুরাইয়া ফিরাইয়া দেওনের আর্জি করি।

সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

কবি ইয়া নফসি ইয়া নফসি:সজল আহমেদ এর কবিতা

কবি ইয়া নফসি ইয়া নফসি

-সজল আহমেদ

ঐ বিচ্ছিরি চুলের গন্ধ
একটা সময় আমায় টানতো,
ও কি মদের নেশা,না ভালোবাসা?
অব্যক্ত কথাগুলি,আর ফিরে দেখা কিছু স্মৃতি;
চুলের নেশা আর আমায় টানেনা;
কবি যার যার পথ সে ধরছে-
ইয়া নফসি ইয়া নফসি।
একাই পথ খুঁজি ;কাটা তারের বেড়া ভাঙ্গি
আর জঙ্গলের পানে তাকাইয়া রবী ঠাকুরের গানের করুণ বীণায় তান বাজাই;
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে
তবে একলা চলরে।
জানি এই পথে যতই কাঁটা থাকুক না কেন-
একলাই হৈবে চলতে;
যতই পিছলা হউক একলাই পার হমু কাদা
ধরনি ছাড়া সাকো আর পুল সেরাত-
তোমারে দরকার নাই মুড়ি চাবাও গিয়া।
কবি সাব যার যার পথ সে ধরছে-
ইয়া নফসি ইয়া নফসি।

শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

বন্ধুর কষ্ট!

 বন্ধুর কষ্ট

~সজল আহমেদ~

নিজ চোখে যখন বন্ধুটাকে সর্বশান্ত হয়ে যেতে দেখি,
চটপটে ওর স্বভাবকে গড়িয়ে যেতে দেখি
দেহ গহ্বর থেকে পতিতা পল্লির কোটড়ে,
ফিরে যাচ্ছে গুহা যুগে-

বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

পরিচয়ে একজন চেতনাবাজ

-সজল আহমেদ

রাস্তায় রাস্তায় আর হাটেঘাটে হ্যান্ডবিল ছাপিয়ে জানিয়ে দাও
সজল নামের একটা পাগল চোদা পোলা আছে
যে আমাদের চৌদ্দগুষ্টির নামে কবিতা লিখে লিখে অভিযোগ আনে
আমরা নাকি ধ্বজভঙ্গ।
সে কোন কবি না,বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর না,
 বুদ্ধিজীবী বা ভাঁড় না-না তার কোন বই বেরিয়েছে;মোদ্দকথা গর্ব করার মত দন্ড ছাড়া তার কিছু নেই।
তবুও তার কবিতার কোপ গায়ে বড্ড তেল তেলে লাগে;
প্রফেসর সম্পাদক, প্রকাশক কবিসহ সহ সাড়ে চৌদ্দ জনের বিপক্ষে তার অভিযোগ,আমরা নাকি ধ্বজভঙ্গ
বীর্যেসৌর্জে নাকি পঁচন ধরেছে আমাদের।
মহিলা কবিদের কবিতা ছেপে ছেপে আমাদের নাকি মৈথুনে সব শেষ হয়ে গেছে।
সে নাকি সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়ে দেবে,কাব্যের মঞ্চে দেখো সুযোগবাদীদের মারামারি
কবিদের মধ্যে দ্যাখো কত ধুরন্ধরি।
ঐ ছেলেটা হাত দিয়ে প্রফেসরকে দেখিয়ে বলে,
 দেখো দেখো ঐ সার একটা ছাগল আছিলো।
পত্রিকার সাংবাদিকদের, সম্পাদকদের চিমটি কেটে বলে,
রংবেরঙয়ের সাংবাদিক আছে আমাদের ঝুলিতে
হলুদ, লাল, বাদামী আরো কত রং জানো কি?
এমন পাঁজি পিচকে হতচ্ছাড়ার বিচার না হয়ে কই যাবে?
১০ কুটি টাকার মানহানি মামলা করে দাও
হ্যান্ডবিলের সাথে রাস্তার মোড়ে চায়ের দোকানে দোকানে পোস্টার মেরে দাও;
শিরোনাম করে দাও লাল কালি দিয়ে
সজল একজন রাজাকারের নাতী
অতএব তাঁর ফাঁসি চাই।

মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

পর শিল্প:সজল আহমেদ এর কবিতা

পর শিল্প

-সজল আহমেদ

মাথায় চেপেছে খুন
দেশের সংস্কৃতি আজ ধুলোয় লুটিয়ে
বাল ছিড়ে হাতে নিলাম ভাষাভাষীর
প্রাধান্য দিয়েছি অপর শিল্পি
দেশী কবিরা আজ ভাত না খেয়ে মরুক তাতে আমার কি অকা?
লজ্জা হয় মা বড় লজ্জা হয় মা,
তোমার সন্তানেরা বাংলায় গান জানেনা।
স্বজাতীর গুলিবিদ্ধ করোটীর দাম দিতে জানেনা;
দাম নেই ভাষার ছিটে ফোঁটা
শাহাবাগ টিএসসিতে চেতনা ফুলিঙ্গ বিক্রিতে উদ্বুদ্ধ মন আর দিন শেষে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে উড়ে যাই জার্মানে। 
মধুসূদন বুঝেছিল সারাকাল কপচিয়ে বিদেশী বুলি কোন লাভ নেই;
কবি লর্ড বায়রন তাকে কিছু দিতে পারেনি
যুগযুগ অপর শিল্পের ভৃত্য খেটে শেষে ফিরে এসেছিলো সেই সাগরদাঁড়িতে
সেই বাংলায়।
ফিরে আসবে জানি সবাই একদিন
মধুসূদনের পথ ধরে;
সেদিনের প্রতিক্ষায় মন বিকুলি, 
আবার ওরা জড়িয়ে ধরবে বুকে বাংলাদেশের পতাকা 
মাঠের পাকা ধান নিয়ে পদ্যে মাতবে
আর গান গাইবে,আমার প্রাণের বাংলা।

রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

যাবা আমার সাথে?

যাবা আমার সাথে?

~সজল আহমেদ~

তোমাকে নিয়ে উড়ে যাব আজব এক দেশে
লাল পরী নীল পরী তোমার পা টিপে দিবে
বুলবুলি হিরামন ময়নারা গান শুনাবে
জ্বীনের বাদশাহর বউ বেনী বুনে দেবে
ডালা সাজিয়ে থুড়থুড়ে বুড়ি পান খাওয়াবে।
পান খেয়ে গোলাপী অধর যখন লাল হয়ে যাবে
আমি প্রেমিক পুরুষ হয়ে তখন চুমু এঁকে দেবো।
এক ফাঁকে সকলের দিয়ে দেবো ছুটি
তোমার জমিনে রব ফুল হয়ে ফুটি।

শিরোনাম নির্বাচনঃসাইফুল ইসলাম স্বপন

শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

বই মেলায় যাবানা প্রিয় বই মেলায় হুজুর:সজল আহমেদ এর কবিতা

বই মেলায় যাবানা প্রিয় বই মেলায় হুজুর

~সজল আহমেদ~

মাদ্রাসা ছাত্ররা কেন প্রগতিশীল নয়
প্রতিটা দিক থেকে পিছে পরে রয়
সেলিনা অজয়দের মুখরোচক বিবৃতি
জঙ্গী প্রহসনে প্রিয় প্রথম আলোর তুবড়ি
অকবি কবিতা লিখে প্রতিবাদ করে
জঙ্গী জন্ম হয় শফী হুজুরের ঘরে।
 মাদ্রাসায় বিজ্ঞান নেই;বাংলা সাহিত্যে রবী ঠাকুর নেই
সুকুমার নেই, আজাদ তসলিমা নেই
তাহলে পড়ছেটা কি?
দুখান আরবী কেতাব, ৩খান ফার্সী কেতাব যত জেহাদী বই আর লাগে কি?
ওরা আকাশের ফাঁদে ফাঁদেও যৌনতা ছড়াতে পারেনা
ওদের সীমিত জ্ঞানে
নতুন গজানো ভাঁড়দের মত অসৎ বুদ্ধিও
পারেনা রচনা করতে মিথ্যে যত অতীত বৃত্তান্ত
নেই নেই ওরকম কুফা এলেম ওদের নেই।
স্বাধীন এদেশে নানাবিধ সংবিধান রচনা করা যায় বটে
৩৬, ৩৭ এবং ৩৯ নং সংবিধান প্রয়োগ তো চুলোয় যাবে -
বই মেলায় যাবানা প্রিয় বই মেলায় হুজুর
দাঁড়ি আর পাঞ্জাবী তে যাবানা প্রিয় বইমেলায়;
কাউন্টার টেররিজমের বাবাদের কাছে বলে;৪৮ ঘন্টা খাইয়ে দেবো লাল দালানের ভাত
বাংলাদেশ পুলিশ রেস'ইজম দোচেনা।
১২-০২-২০১৭

শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

সজল আহমেদ এর ছড়া :কলাগাছ

কলাগাছ

-সজল আহমেদ

কলাগাছ ঐ পারে ঠায় দাঁড়িয়ে
কলা কাঁদি কেটে নিয়ে ফেল উপড়ে
বারবার এক গাছ কলা নাহি দেয়
একবার কলা দিয়ে- বুড়িয়ে সে যায়।
এক কাঁদি কলা পেতে কত মেহনত
কলা কাঁদি পেয়ে গেলে ;মনিব যায় নিয়ে স্বহস্তে খড়গ।
কলা পেয়ে গেলে গাছের মূল্য কি?
এই বলে কলাগাছের শিরে মারে ছুড়ি।
স্বহাস্যে কলাগাছ বলে,ও মানুষ্য জাতী
নিজবক্ষের ফল খাইয়ে আজ এই পরিণতি?
শুনে রাখ,শুনে রাখ তুই তবে
যতই কাটিস উপরিভাগ- নিম্নভাগে স্বজাতী জন্মাবে।